Moyurakkhi - ময়ূরাক্ষী (Review)



লেখক- হুমায়ূন আহমেদ

প্রকাশন- অনন্যা প্রকাশন

পৃষ্ঠা সংখ্যা- ৫৮

ময়ূরাক্ষী হিমু সিরিজের প্রথম উপন্যাস। এর আগে হিমু নামের কোনো চরিত্রকে পাঠক চিনত না। সিরিজের অন্যান্য বইয়ের মতোই এই বইয়েও হিমুসহ অন্যান্য চরিত্রগুলোর সরব উপস্থিতি দেখা যায়। তবে এই বইটির বিশেষত্ব হলো এটাতে হিমুর একদম প্রারম্ভিক পরিচয় দেয়া আছে। হিমুর পুরো নাম হিমালয়। হিমালয়ের জন্ম,বাবা-মার পরিচয়,শৈশব থেকে তার বেড়ে ওঠা সবই আছে এ বইয়ে। হিমুর বাবার ইচ্ছা ছিল হিমু মহাপুরুষ হবে। হিমু সেই চেষ্টাই করে অবিরাম। হিমুর কল্পনার একটি নদী আছে। যখন ইচ্ছে হিমু এই নদীটাকে কল্পনায় নিয়ে আসে। এই নদীর কল্পনায় বিভোর হয়ে সে কাটিয়ে দিতে পারে ঘন্টার পর ঘন্টা। হিমুর একানতেই এই নদীটার নাম রাখা হয় "ময়ূরাক্ষী"। আরও একজন আছে নদী ব্যাতীত যাকে "ময়ূরাক্ষী" নামে সম্বোধন করে হিমু। তার নাম হলো রুপা হচ্ছে রূপা। এই বইয়ে হিমুর সাথে রূপার পরিচয়ের সুন্দর বর্ণনা রয়েছে। রূপার পাশাপাশি বইটাতে মীরা নামে আরও একটি নারী চরিত্র আছে, যেও কিনা ঘটনাচক্রে হিমুকে ভালোবেসে ফেলে। কিন্তু হিমু তাকে শুধু মুগ্ধই করে রাখে। ভালোবাসা তার একজনের জন্যেই। হিমু পড়ার পর অনেকেরই মনে প্রশ্ন জাগে যে "হিমু কি আদৌ রূপাকে ভালোবাসে?" হুমায়ূন আহমেদের এই ময়ূরাক্ষী উপন্যাসটিতে সে সকল প্রশ্নের রোমাঞ্চকর উত্তর গুলো খুজে পাওয়া যায় যা প্রতিটি ধাপে ধাপে উপন্যাসটিকে আর আকর্ষনীয় করে তুলেছে। রূপা হিমুর অপেক্ষায় অস্থির সময় পার করলেও হিমু যাব বলেও তার কাছে যায় না। কারণ হিসেবে সে উল্লেখ করে "ভালোবাসার মানুষদের খুব কাছে কখনো যেতে নেই।" অর্থাৎ হিমু হয়ত চায় না যে তার প্রতি রূপার আগ্রহে কখনো কিছুটা কমতি থাকুক। আর এজন্যেই হয়ত রূপার প্রতি হিমুর যে উপেক্ষার ভাব ফুতে উঠেছে তা চিরন্তন। হয়ত এ কারণেই হিমুর জন্য রূপার অফুরন্ত অপেক্ষা.......


ময়ূরাক্ষী উপন্যাস সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক দিয়ে রাখতে পারেন যাতে আপনি সবার আগে যেকোন আপডেট পেতে পারেন। যেকোন পরামর্শ বা অভিযোগ জানাতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে ভুলবেন না।

ধন্যবাদ,
Team Golper Adda - গল্পের আড্ডা



No comments

Powered by Blogger.